ইউটিউব চ্যানেল খোলার নিয়ম - বাংলা প্রযুক্তি ব্লগ

ইউটিউব চ্যানেল খোলার নিয়ম

ইউটিউব হলো গুগলের মালিকানাধীন  সবচেয়ে জনপ্রিয় ভিডিও শেয়ারিং সাইট। গান, সিনেমা, কমেডি, শিক্ষামুলক, গেমস সহ অসংখ্য বিষয় ভিত্তিক ভিডিও এর এতোবড় সংগ্রহশালার আর স্বিতীয়টি নেই। ইউটিউব এ যেমন ভিডিও দেখে বিনোদন বা শিক্ষা নেওয়া যায়। তেমনি ভিজিটর দের জন্য ভিডিও বানিয়ে এডসেন্সের মাধ্যমে ডলারও ইনকাম করা যায়। এজন্য নির্দিষ্ট বিষয়ভিত্তিক ভিডিও চ্যানেলের মাধ্যমে সাজিয়ে রাখতে হয়। ইউটিউব চ্যানেল খোলার নিয়ম নিয়ে আজকের পোষ্ট।

আরোও পড়ুনঃ

ফেসবুক পেজ তৈরি করতে হয় কিভাবে

ইউটিউব চ্যানেল :-

নিজের পন্যের প্রচার বা শিক্ষা বা বিনোদন প্রচারের জন্য ইউটিউব চ্যানেল প্রয়োজন হয়। আর যারা ইউটিউব থেকে আয় করার কথা ভাবছেন, তাদের জন্য ইউটিউব চ্যানেল তৈরি করা অত্যাবশ্যক।

ইউটিউব থেকে অনলাইনে আয় করার বিষয়ে বিস্তারিত জানতে অনলাইনে আয়: ইউটিউব থেকে আয় করার উপায় নামের পোষ্টখানা দেখুন।

আরোও পড়ুনঃ

ইউটিউব চ্যানেল খোলার নিয়ম:-

এবার আসি পোষ্টের মূল বিষয়বস্তুর দিকে। ইউটিউব যেহেতু গুগলের মালিকানাধীন তাই ইউটিউব ব্যবহার করতে আপনার শুধু একটি জিমেইল আইডি থাকলেই হবে।

জিমেইল আইডি না থাকলে একটি তৈরি করে নিন। 

আরোও জানতেঃ

ব্রাউজার এর এড্রেস বারে youtube.com টাইপ করে মূল সাইটে ঢুকুন। এবার ডান কোনায় sign in বাটনে ক্লিক করুন।

ইউটিউব চ্যানেল

জিমেইল ইউজার আইডি, পাসওয়ার্ড দিয়ে সাইন ইন করুন।

এবার আপনার সামনে ইউটিউব লগেড ইন হোম পেজ আসবে। ডানে প্রোফাইল থেকে settings অপশানে যান।

youtube channel

Add or manage channel লিংকে ক্লিক করুন। এবার যে উইন্ডো আসবে সেখানে যদি আপনার আগে থেকে তৈরি করা চ্যানেল থাকে,

youtube channel

তাহলে সেগুলোর লিষ্ট দেখতে পাবেন এবং create new channel বাটনটি দেখতে পাবেন।এবার Create new channel নামের বাটনটি তে ক্লিক করুন।

youtube channel

এবার Brand account name বক্সে একটি নাম দিন। বুঝতেই পারছেন, একটি অর্থবহ নামের উপর অনেক কিছু নির্ভর করছে। নামটি যেন অবশ্যই প্রাসঙ্গিক হয়। 

ইউটিউব চ্যানেল খোলার নিয়ম

আপনার তৈরি করা চ্যানেলের হোমপেজটি দেখতে পাবেন।এটাই আপনার চ্যানেলের হোমপজ।এখানেই আপনার তৈরি করা সব ভিডিও গুলো থাকবে।

ইউটিউব চ্যানেল খোলার নিয়ম

customize channel বাটনটি ক্লিক করে সদ্য তৈরি করা চ্যানেলের আর্ট ফটো, ডিসক্রিপশান, ক্যাটাগরি বাছাই সহ সব রকম কাস্টমাইজেশন করতে পারবেন।

এটাই আপনার চ্যানেলের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ। বিশেষ করে চ্যানেলের কভার ফটো এবং বিবরনে যেন আপনার উদ্দ্যেশ্যের পরিস্কার ধারনা থাকে।

যাতে আপনার হোমপেজেই পেশাদারিত্বের ভাব খানা ফুটে উঠে।

ইউটিউব চ্যানেল খোলার নিয়ম

মনে রাখতে হবে, চ্যানেলকে সার্চ ইঞ্জিন উপযোগী করে তুলতে হলে হেডার, ডিসক্রিপশন, ক্যাটাগরি এগুলো খুবই দরকারী।

এই শর্ত গুলো সঠিক ভাবে পুর্ন করতে পারলেই আপনার চ্যানেলটি সহজেই ভিজিটর এর কাছে পৌছাতে পারবে।

Upload video বাটনে ক্লিক করে আপনার নতুন চ্যানেলে ভিডিও আপলোড করা শুরু করতে পারেন।

আর youtube studio তে ক্লিক করে আপনার আপলোড করা ভিডিও ইচ্ছামতো সম্পাদনা, পরিবর্তন ও পরিবর্ধন করতে পারবেন।

ইউটিউব চ্যানেল খোলার নিয়ম

তবে, ভিডিও তে কাস্টম থাম্বনেইল ব্যবহার করতে চাইলে প্লে ষ্টোর থেকে youtube studio এন্ড্রোয়েড এপস টি ডাউনলোড করে নিতে পারেন।

এপসটিতে ভিডিও সম্পাদনা করলে বাড়তি কিছু সুবিধা পাবেন। 

শেষকথাঃ-

কনটেন্ট আপলোড করার আগে কপিরাইট বিষয় টা মাথায় রাখবেন। কনটেন্ট গুলো অবশ্যই নিজের তৈরি করা হতে হবে।

আর যেনতেন কনটেন্ট হলেই হবে না, কনটেন্ট হতে হবে প্রাসঙ্গিক এবং তথ্যবহুল।

জ্ঞানগর্ভ পুর্ন কনটেন্ট সার্চ ইঞ্জিন সমূহ ভালো করেই চিনতে পারে।কনটেন্ট তৈরি করার পুর্বে সেই বিষয়ের উপর যথাযথ জ্ঞান থাকা আবশ্যক।

আপনার দেওয়া চ্যানেলের নাম,বিবরন,ক্যাটাগরি এবং সর্বোপরি আপনার তৈরি করা কনটেন্ট গুলো যেন একে অপরের সাথে সামজস্য পূর্ণ হয়।

কারন,এইসব বিষয় গুলোর দ্বারা অনুপ্রানিত হয়েই সার্চ ইঞ্জিন আপনার কনটেন্ট কে অনুসন্ধানকারীর সামনে উপস্থাপন করে থাকে।ইউটিউব চ্যানেল খোলার নিয়ম নিয়ে কারো কোন প্রশ্ন থাকলে কমেন্ট বক্সে জানাতে ভুলবেন না।

আরোও দেখুনঃ

7 thoughts on “ইউটিউব চ্যানেল খোলার নিয়ম

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।